নবিজি সা. মেয়ে সন্তানের দেখাশোনাকারীর জন্য তিনটি পুরস্কারের ঘোষণা করেছেন।
![]() |
| মেয়ে সন্তান জন্ম নিলে ৩ টি পুরস্কার |
১। জাহান্নাম থেকে মুক্তি,
২। জান্নাতে প্রবেশের নিশ্চয়তা,
৩। জান্নাতে নবিজির সঙ্গী হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন।
আয়িশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে লোক কন্যা সন্তানদের নিয়ে এ ধরনের পরীক্ষার সম্মুখীন হয়। তারা তার জন্য জাহান্নামের প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়াবে।' (তিরমিজি, ১৯১৫)
নবিজি সা. আরো বলেছেন, “যে ব্যক্তির তিনটি কন্যা সন্তান বা তিনজন বোন আছে; সে তাদের সাথে খুব সুন্দর ব্যবহার করেছে, তাদেরকে নিজের জন্য অসম্মানের কারণ মনে করেনি, তাহলে সে অবশ্যই জান্নাতে যাবে।" (হাদীসের মান দুর্বল)
আনাস রাদি. বলেন, নবিজি সা. বলেছেন, “যে ব্যক্তি দুজন কন্যা সন্তানকে লালনপালন করল (বিয়ের সময় হলে সুপাত্রের কাছে বিয়ে দিল) সে এবং আমি জান্নাতে এভাবে একসঙ্গে প্রবেশ করব (এ কথা বলার সময় নবিজি নিজের পাশাপাশি দুই আঙুল মিলিয়ে দেখালেন)। (তিরমিজি ১৯১৪)
শুধু কন্যা সন্তান জন্ম দিলেই জান্নাতে যাওয়া যাবে এমন নয়, বরং কন্যা সন্তান পৃথিবীতে সুসংবাদের বার্তা নিয়ে আসে। এখন এই কন্যা সন্তানকে এক আকাশ ভরা ভালোবাসা দিয়ে লালনপালন করে, দ্বিনি শিক্ষার পাঠ দিয়ে, সঠিক সময়ে সঠিক পাত্রের সাথে বিয়ে করিয়ে দিলে তবেই জান্নাত পাওয়ার খোশনসিব জুটবে। প্রতিটি ভালো জিনিসের যত্ন নিলেই তা আরো ভালো কিছু অর্জনে সহায়তা করে। ঠিক তেমনি কন্যা সন্তানও। আল্লাহ তায়ালা কন্যা সন্তানকে যেভাবে দুনিয়াতে রহমত ও বরকতের চাঁদোয়া করে পাঠালেন ঠিক সেভাবে তাকেও অসীম যত্ন-স্নেহের সাথে তার রবকে চিনিয়ে দিতে হবে। তাকে আল্লাহ তায়ালার ঐশী বিধি অনুযায়ী লালনপালন করলেই সে জান্নাত পাওয়ার কারণ হতে পারে। অন্যথায় তাকে দুনিয়ার মাঝে নিজ মর্জিমতো ছেড়ে দিলে সেই আবার জাহান্নামে যাওয়ার কারণ বনে যাবে।
'হে বোন কুরআন তোমাকে যা বলেছে' বই থেকে চয়িত।

