নবীজি ( সা.)বললেন,
![]() |
| নামাজ |
তুমি যখন নামাজে দাঁড়াবে, তখন এমনভাবে নামাজ পড়ো, যেন এটাই তোমার শেষ নামাজ। তুমি এমন কথা বলো না, যার জন্য তোমাকে কৈফিয়ত দিতে হবে। মানুষের ধনসম্পদের প্রতি সম্পূর্ণরূপে নিরাশ থাকবে তথা তাদের কাছে কোনো কিছুই পাওয়ার আশা করবে না। (ইবনু মাজাহ, ৪১৭১; আহমাদ, ২৩৫৪৫)
এ হাদিসে কয়েকটি বিষয় লক্ষণীয়-
এক. দুনিয়াকে বিদায় জানানো ব্যক্তির মতো নামাজ পড়া। এমন ব্যক্তির নামাজ, যিনি তার মৃত্যু ও আখেরাতের মুখোমুখি হচ্ছেন, যিনি তার জীবন ও পৃথিবীকে শেষ বিদায় জানাচ্ছেন।
দুই. নিজের পেশিশক্তি ও জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করা। তাহলে আর মানুষ এমন কাজে লিপ্ত হবে না, মৃত্যুর পর যার কারণে তাকে অনুশোচনা করতে হবে।
তিন. মানুষের মালিকানাধীন সম্পদের ক্ষেত্রে নিরাসক্ত হওয়া। কারণ অচিরেই আপনি মৃত্যুর মুখোমুখি হচ্ছেন, আখেরাতে এগুলো আপনার প্রয়োজন হবে না !
অন্য স্থানে আবদুল্লাহ ইবনে উমর রা. বর্ণনা করেন যে, রাসুল সা. বলেছেন, তুমি (দুনিয়াকে) শেষ বিদায় জানানো ব্যক্তির মতো নামাজ পড়ো, যেন তুমি তাকে (আল্লাহ তাআলাকে) দেখছ, আর যদি তাকে দেখতে না পাও, তবে নিশ্চয় তিনি তো তোমাকে দেখছেন। (শুআবুল ঈমান, ১০০৬০: মুজামুল ওষুধ, ১/২৭৪)
ড. রাগিব সারজানী রচিত 'নামাজ : যেমনটি তিনি চান' বই থেকে নেওয়া

